মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
আগুনে পুড়ল ৯ কোটির স্বপ্ন: সব হারিয়ে নিঃস্ব ব্যবসায়ীদের আহাজারি দুশ্চিন্তার কারণ নেই: সৌদির শ্রমবাজার নাজুক হলেও কর্মীদের ফেরানোর চাপ নেই সম্প্রীতির বন্ধন সুদৃঢ় করতে সোনাপুর বেদে পল্লীতে বিশেষ সমাবেশ ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে সুনামগঞ্জ চেম্বার: সহায়তার সর্বোচ্চ আশ্বাস সুরমা ইউনিয়নের বেরীগাঁও :: ব্রিজ ভেঙে পড়ায় দুর্ভোগে ৫০ হাজার মানুষ দীর্ঘ ছুটির পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে আজ সুনামগঞ্জের কৃতী সন্তান দিলারা হাফিজ আর নেই ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি: দিরাই-জগন্নাথপুরের ১৮ জন নিহতের আশঙ্কা উত্তর সুরমা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত গবেষণার নামে স্বাধীনতার ইতিহাসের অবমূল্যায়ন করা যাবে না : প্রধানমন্ত্রী

সম্প্রীতির বন্ধন সুদৃঢ় করতে সোনাপুর বেদে পল্লীতে বিশেষ সমাবেশ

সম্প্রীতির বন্ধন সুদৃঢ় করতে সোনাপুর বেদে পল্লীতে বিশেষ সমাবেশ

স্টাফ রিপোর্টার :: রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও জাতিগত সহিংসতা পরিহার করে আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বানে সুনামগঞ্জ পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি)-এর উদ্যোগে সোনাপুর বেদে পল্লীতে সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার দুপুরে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের সোনাপুর বেদে পল্লী মাঠে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বেদে পল্লীর কালু মিয়ার সভাপতিত্বে এবং সদর পিএফজির অ্যাম্বাসেডর ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম স¤পাদক সিরাজুল ইসলাম পলাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন গৌরারং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোমেন মিয়া, পিএফজির নারী অ্যাম্বাসেডর শাহীনা চৌধুরী রুবি, সমন্বয়কারী ফজলুল করিম সাইদ, বিশ্বম্ভরপুর পিএফজির সমন্বয়কারী ফুলমালা, সদর পিএফজির সদস্য ও সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম, মাওলানা ফয়জুননুর ফয়েজ, বিটু বড়–য়া, রোশনা আক্তার তৃষ্ণা, মুছিহুর রহমান রাসেল, রীনা আক্তার, মিনহাজ পারভীনসহ বেদে পল্লীর সাদ্দাম হোসেন, ওমর আলী শেখ, ববিতা, সোহেল, আইনুল ও ফাতেমা বেগম।
বক্তারা বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে সামাজিক সম্প্রীতির কোনো বিকল্প নেই। সুনামগঞ্জে পিএফজির এই ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তারা উল্লেখ করেন, এই অঞ্চলে শতবর্ষের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য থাকলেও মাঝে মাঝে কিছু অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা সেই বন্ধনে বিঘœ ঘটায়। এ ধরনের আয়োজন সম্প্রীতি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বক্তারা বেদে সম্প্রদায়ের জীবনধারা তুলে ধরে বলেন, নদীকেন্দ্রিক জীবনযাপন, সংগ্রাম ও সংস্কৃতির সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই যাযাবর জনগোষ্ঠীর ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ। “মনতং” নামে পরিচিত এ জনগোষ্ঠীর আগমন ১৬৩৮ সালে আরাকান থেকে ঢাকায়। পরবর্তীতে তারা দেশের বিভিন্ন নদীবিধৌত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে তারা নদীর তীর, নৌকা বা উঁচু মাচায় বসতি গড়ে জীবনযাপন করছে। সোনাপুর বেদেপল্লীতেও বেদে সম্প্রদায়ের মানুষ তাদের ঐতিহ্য ধরে রেখে বসবাস করছে। এখানে তারা মূলত সাপুড়িয়া ও মাল – এই দুই সমাজে বিভক্ত। সাপুড়িয়ারা সাপের খেলা প্রদর্শন করে জীবিকা নির্বাহ করে, আর মাল সম্প্রদায় ঝাড়ফুঁক, সিঙ্গা লাগানো সহ বিভিন্ন লোকজ চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে আয় করে। পেশাগত ভিন্নতা থাকলেও তাদের সামাজিক বন্ধন ও সংস্কৃতি একসূত্রে গাঁথা।
সমাবেশে বক্তারা এ ধরনের সম্প্রীতি সমাবেশ আরও বেশি আয়োজনের আহ্বান জানান এবং পার¯পরিক বোঝাপড়া, সম্মান ও সহাবস্থানের মাধ্যমে সমাজকে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে বেদে সম্প্রদায়ের জীবন চিত্র তুলে ধরতে সাপের খেলা, বিন বাজানো এবং সিঙ্গা লাগানো প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। সাপখেলা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন ওমর আলী শেখ ও তার দল, দ্বিতীয় হন রিপু বেগম ও ববিতা এবং তৃতীয় হন ওয়াহিদা ও স্বরমিনা। বিন বাজানো প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন জহিরুল ইসলাম এবং সিঙ্গা লাগানো প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন জহিরুন বিবি ও জারন বিবি।sk


আপনার এ্যাড দিন

ফটো গ্যালালি

Islamic Vedio

বিজ্ঞাপন ভিডিও এ্যাড




© All rights reserved © 2018 angina24.com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com